নিজস্ব প্রতিনিধি।।
শেষ মুহূর্তের জটিলতা কাটিয়ে দুই হজযাত্রীর সৌদি আরব যাত্রা নিশ্চিত করলেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। মানবিকতা, দায়িত্ববোধ এবং অভিজ্ঞ নেতৃত্বের আরেকটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ ও এয়ারলাইন্সের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের হজযাত্রার ব্যবস্থা করেন।
জানা গেছে, পবিত্র হজ কার্যক্রমের প্রায় শেষ পর্যায়ে এসে ওই দুই হজযাত্রী অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতায় পড়ে সৌদি আরব যেতে না পারার শঙ্কায় ছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে যখন হজ কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেক দায়িত্বশীল ব্যক্তি সৌদি আরবে অবস্থান করছিলেন, তখন ধর্মমন্ত্রী নিজেই বিষয়টি সরাসরি তদারকি করেন এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুই হজযাত্রীর টিকিটসহ প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ধর্মমন্ত্রী সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করেন। তিনি বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেন। শুধু প্রশাসনিক সমন্বয় নয়, প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থাতেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগী হন। জানা যায়, প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা সংগ্রহ করে সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততায় শেষ পর্যন্ত তাদের যাত্রা নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে ওই দুই হজযাত্রী বাংলাদেশের সর্বশেষ হজ ফ্লাইটে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দায়িত্বকে শুধুমাত্র প্রশাসনিক কাজ হিসেবে নয় বরং আমানত হিসেবে গ্রহণ করার কারণেই ধর্মমন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগ সফল হয়েছে।
হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, “শেষ মুহূর্তে সৃষ্টি হওয়া জটিলতার কারণে দুইজন হজযাত্রীর সৌদি আরব যাত্রা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গিয়েছিল। বিষয়টি জানার পর ধর্মমন্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিকতা ও মানবিকতার সঙ্গে উদ্যোগ নেন। আলহামদুলিল্লাহ, শেষ পর্যন্ত তারা বাংলাদেশের সর্বশেষ ফ্লাইটে হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব রওনা হয়েছেন। আমরা ধর্মমন্ত্রীর এই দায়িত্বশীল ও মানবিক উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞ।”
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ ও মানবিক ব্যক্তিকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছেন। কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের মতো অভিজ্ঞ ও মানবিক নেতৃত্বের কারণেই সংকটময় মুহূর্তেও হজযাত্রীদের পাশে থেকে দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, হজযাত্রীদের সেবাকে ইবাদতের অংশ হিসেবে দেখার এই মানসিকতাই মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে দিয়েছে।