
রাশেদ রাসু, নড়াইল প্রতিনিধি।।
স্বপ্নের আকাশ ছুঁতে চায় অর্পিতা বিশ্বাস। দরিদ্র পরিবারের মেধাবী এ কিশোরী ভবিষ্যতে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে যোগ দিয়ে দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চায়। কিন্তু সংসারের করুণ বাস্তবতা তার স্বপ্নের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অর্পিতা বিশ্বাস নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার সাহাবাজপুর গ্রামের অসীম কুমার বিশ্বাস ও সবিতা রানী বিশ্বাস দম্পতির জ্যেষ্ঠ কন্যা। তিন বোনের মধ্যে সবার বড় অর্পিতা ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে কাশিপুর এ.সি. মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। শুধু তাই নয়, তার কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছে বোর্ড বৃত্তিও।
কিন্তু এই অসাধারণ সাফল্যের পেছনে রয়েছে চরম সংগ্রামের গল্প। অর্পিতার বাবা অসীম কুমার বিশ্বাস পেশায় একজন দিনমজুরি কৃষক। প্রতিদিনের অল্প আয়ের টাকায় কোনো রকমে চলে পাঁচ সদস্যের সংসার। সংসারের এই দুঃসহ ব্যয়ভার বহন করে মেয়েকে উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে নেওয়া তার পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
মেধাবী কন্যার স্বপ্ন পূরণের জন্য ইতোমধ্যেই দেশের-বিদেশের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের হাত বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন অর্পিতার বাবা-মা।
অর্পিতা বিশ্বাস আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “আমি বড় হয়ে দেশের জন্য কিছু করতে চাই। বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার স্বপ্ন। কিন্তু দারিদ্র্যের কারণে পড়াশোনার স্বপ্ন ভেঙে যাবে ভেবে ভয় পাচ্ছি। সমাজের সকল সৎ ও হৃদয়বান মানুষ যদি আমার পাশে দাঁড়ায়, তবে আমি অবশ্যই স্বপ্ন পূরণ করতে পারব।”
যারা সাহায্যের হাত বাড়াতে চান, তারা অর্পিতার পরিবারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।
📱 বিকাশ ও হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: 01926-067706
অর্পিতার মতো হাজারো মেধাবী শিক্ষার্থী দারিদ্র্যের কারণে স্বপ্ন পূরণের পথে বাধাগ্রস্ত হয়। সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতা একেকটি পরিবারকে যেমন স্বস্তি দিতে পারে, তেমনি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে নিতে পারে আমাদের আগামী প্রজন্মকে।