প্রিন্ট এর তারিখঃ মার্চ ২৫, ২০২৬, ১১:০০ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ নভেম্বর ১১, ২০২৫, ৭:৫০ পি.এম
পাবনার আটঘরিয়ায় শিক্ষকের মারধর শিক্ষার্থী আত্মহত্যা

সোলাইমান হোসাইন পাবনা প্রতিনিধি।।
পাবনার আটঘরিয়ায় শিক্ষকের মারধর শিক্ষার্থী আত্মহত্যা
সহ্য করতে না পেরে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী জেসমিন আক্তার আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচারের দাবিতে সোমবার (১১ নভেম্বর) বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে শহীদ আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ মিছিলটি খিদিরপুর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে পদত্যাগ দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।
মৃত জেসমিন উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের হাতিগাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের মেয়ে। সে খিদিরপুর শহীদ আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
অভিযোগে জানা গেছে, গত ৯ নভেম্বর একটি বাটন মোবাইল ফোন নিয়ে ক্লাশে প্রবেশ করে জেমি। এ সময় ক্লাশ শিক্ষিকা মিনোয়ারা খাতুন শিক্ষার্থী জেমি খাতুনের কাছে মোবাইল ফোন দেখে ক্লাশরুমে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও অপমান করেন। পরে খণ্ডকালীন শিক্ষিকা সালমা খাতুন শিক্ষার্থী জেমি খাতুনকে ক্লাশরুম থেকে ডেকে কমনরুমে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে বেত দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে জেমির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও জখম করে এবং অপমান অপদস্থ করে স্কুল থেকে বের করে দেন।
শিক্ষিকার এই বেধড়ক মারপিট ও অপমান সহ্য করতে না পেরে শিক্ষার্থী জেমি ঘটনার দিন বিকালে দাদির বাড়িতে বিষপান করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে জেমির পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে প্রথমে জেমিকে আটঘরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং অবস্থা অবনতি ঘটলে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে নেওয়া হয় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৮টার সময় জেসমিন মারা যায়।
Copyright © 2026 বাংলার টিভি লাইভ. All rights reserved.