মুরাদনগর, (কুমিল্লা)।।
কুমিল্লার মুরাদনগরে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বসতঘর ভেঙ্গে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আপন দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে।
শনিবার সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাগেরকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বসতঘর হারিয়ে পরিবারটি এখন খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযোগকারী আল আমিন নাগেরকান্দি গ্রামের মৃত আবদুল হামিদের ছেলে। ঘর ভাংচুরকারী মুখলেস মিয়া একই গ্রামের মৃত কবির মিয়ার ছেলে ও অভিযোগকারী আল-আমিনের আপন ভগ্নিপতি।
ভুক্তভোগী আল আমিন জানান, তার ভগ্নিপতি মোখলেস মিয়ার
জায়গার মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মামলা চলে আসছে। মামলায় নিম্ন আদালত ও জজকোর্টের রায় মুকলেছ মিয়ার পক্ষে যাওয়ায় আমরা হাইকোর্ট আপিল করি। যার নং-৫০৩৪/২০২৪।
আমাদের আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগের বিজ্ঞ বিচারক গত বছরের ৭ই নভেম্বর নালিশী ভূমির দখল ও ও অবস্থানের উপর ৬মাসের স্থিতাবস্থার আদেশ দেন বিচারক বিশ্বজিৎ দেবনাথ।
উচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থার আদেশ থাকা সত্বেও শনিবার সকালে আমার ভগ্নিপতি মুকলেছ মিয়া ১৫/২০জনের সন্ত্রাসী দলবল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করে আমাদের বসতঘর ভেঙে দেয়। এসময় ঘরে থাকা টাকা পয়সা ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়।
অভিযুক্ত মুকলেছ মিয়া বলেন, হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার আদেশের বিষয়টি আমি জানি না। আমার শ্বশুরের থেকে জায়গা ক্রয় করে মালিক হয়েছি। শ্বশুরবাড়ির লোকজন জোর করে আমার জায়গা জবরদখল করে আছে। তাই আমার ঘরটি আমি খুলে নিয়ে আসছি।
এব্যাপারে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।