নিজস্ব প্রতিনিধি।।
মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার তালিকাভুক্ত ১নাম্বার শীর্ষ সন্ত্রাসী ডাকাতি, মাদক ও চাঁদাবাজিসহ ১৪ মামলার আসামি খবির গ্রেফতার এড়াতে পুলিশের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করার খবর পাওয়া গেছে। এই নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিজেদের গ্রেফতার এড়াতেই এই পন্থা অবলম্বন করেছে বলে দাবী স্থানীয়দের।
জানা যায়, বর্তমান সরকারের মাননীয় ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের কঠোর নির্দেশনায় আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, মাদক বিরোধী অভিযান জোরদার করে থানা পুলিশ।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন মাদক কারবারিদের গ্রেফতারের পাশাপাশি মাদকদ্রব্য উদ্ধার করছে থানা পুলিশ। পুলিশের কঠোর অভিযানে মাদকের হটস্পট ক্ষ্যাত বি-চাপিতলার বেশকিছু মাদক কারবারি আটক হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পরে চক্রের সদস্যরা।
এতে করে মাদক বিরোধী অভিযানের সম্মুখ সারির পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই আল আমিনকে টার্গেট করে তারা। মাদক কারবারিদের পথের কাটা এই পুলিশ কর্মকর্তাকে সড়াতে পুলিশের বিভিন্ন দফতরে নামে বেনামে ভুয়া অভিযোগও দেয়া হয়।
জানা যায়, মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার তালিকাভুক্ত নাম্বার ওয়ান শীর্ষ সন্ত্রাসী ব্রাহ্মণচাপিতলা গ্রামের মৃত মোখলেসুর রহমানের ছেলে খবিরের বিরুদ্ধে ডাকাতি, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজিসহ ১৪টি মামলা রয়েছে। কয়েকদিন আগে সন্ত্রাসী খবিরের নেতৃত্বে একই গ্রামের চিহ্নিত মাদক কারবারি নাসিরসহ কয়েকজন একটি রেস্তোরাঁয় বসে বাঙ্গরা বাজার থানার কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করে।
তাদের এই সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। থানার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের এই সংবাদ সম্মেলন এবং নামে বেনামে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবী পুলিশের চলমান যদি অভিযানকে বিতর্কিত করতে মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের চক্র এমনটা করছে। এই মাদক ব্যবসায়ীদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের গতি সঠিক রাখতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শফিউল আলম বলেন, সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজি, মাদকসহ সকল অপরাধ দমনে পুলিশ তৎপর রয়েছে। কারোর বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট থাকলে গ্রেপ্তার করা হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুরাদনগর সার্কেল) একেএম কামরুজ্জামান বলেন, ফৌজদারি অপরাধ করে থাকলে তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।