নিজস্ব প্রতিনিধি।।
'মাদক থেকে দূরে থাকি, সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গড়ি' এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লার মুরাদনগরে পালিত হয়েছে মাদক বিরোধী র্যালি ও সমাবেশ।
রবিবার (১৬ই আগষ্ট) বিকালে মুরাদনগর থানার উদ্যোগে আয়োজিত র্যালিতে স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি, পুলিশ কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। র্যালি শেষে মুরাদনগর ডি আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) এমপি উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি অংশগ্রহণ করতে পারেননি।
মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও মুরাদনগর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া ও আব্দুল আজিজ মোল্লা, সদস্য সচিব মোল্লা মুজিবুল হক, যুবদলের সদস্য সচিব হাসান আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ বাদশা, ছাত্রদলের সভাপতি খায়রুল হাসান, কওমি ওলামা পরিষদের সভাপতি হাফেজ আমীন, ছাত্র সমন্বয়ক নাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা মাদকের ভয়াবহতা, এর ক্ষতিকর সামাজিক ও পারিবারিক প্রভাব এবং মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে বিপর্যস্ত করে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সমাবেশে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি মাদক সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক নজরুল ইসলাম, মহিলা দলের সভাপতি কাজী তাহমিনা আক্তার মিনা, কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি চৌধুরী রকিবুল হক শিপন, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মোহাম্মদ নায়েব আলী ,ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন,হাজী ইদ্রিস,
বিএনপি নেতা মো: মুজিবুর রহমান,মো: আলাউদ্দীন, যুবদল নেতা মো: সোহাগ, মাসুম মুন্সী, মো. ইকবাল, মো. আলমগীরসহ পুলিশ কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, শিক্ষক, অভিভাবক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।