মো. রাসেল মিয়া, মুরাদনগর (কুমিল্লা)।।
কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায় আওয়ামী লীগ পালিয়েছে বলায় বিএনপির চার নেতাকর্মীকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন এলাকাবাসী।
শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন পূর্ব ধইর পশ্চিম ইউনিয়নের নবিয়াবাদ বাজারে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ের নেতারা পালিয়েছে কিন্তু তাদের দোসররা আজও বহাল তবিয়তে রাজত্ব করছে। দীর্ঘ ১৭বছর আওয়ামী লীগের নির্যাতন ভোগ করছি এখনো সেই পরাজিত শক্তি তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী দোসর মানিক মিয়া গংরা আমাদের বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর যে ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। তাদেরকে অচিরে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের প্রতি দাবী জানাই। ভবিষ্যতে এই দোসরদেরকে সামাজিক ভাবে প্রতিহত করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক জয়নাল মোল্লা, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুজ্জামান সাগর, পূর্ব ধইর পশ্চিম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোসেন মুহুরী,
সাংগঠনিক সম্পাদক মনির সরকার, শ্রমিকদল নেতা গোলাম মোস্তফা,
ইউবিয়ন যুবদলেরনসিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হেলাল হোসেন,
আহত জুয়েলের স্ত্রী আইরিন আক্তার, বিএনপি নেতা মোকলেসুর রহমান হিরন, তাজুল ইসলাম, হাবীবুর রহমান।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা কামরুল ডাক্তার, কামাল হোসেন, ইকবাল মিয়া, জাকির হোসেন, হিরন মিয়া, মোবারক হোসেন, কামরুল ইসলাম। ছাত্রদল নেতা রাশেদ মিয়াসহ এলাকার সহস্রাধিক নারীপুরুষ মানববন্ধনে অংশ নেন।
বাঙ্গরা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মাহফুজুর রহমান বলেন, ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।
উল্লেখ্যঃ শনিবার (১০মে) রাতে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার পূর্ব ধইর পশ্চিম ইউনিয়নের নবিয়াবাদ গ্রামে
আওয়ামীগ পালিয়েছে বলায় কথা কাটাকাটি ও ঝগড়ার জের ধরে আ’লীগ নেতা মানিক মিয়া ছেলে জিহাদ ও জিসানের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা বিএনপি নেতা ও জিয়া মঞ্চের সদস্য সচিব জুয়েল এবং তার ছেলে সৌরভ, একই গ্রামের বিএনপি কর্মী জাহের মিয়ার ছেলে জাহিদুল ও ইউনুস মিয়ার ছেলে শাকিলকে ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে।