নিজস্ব প্রতিনিধি।।
কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর উত্তর বাজারে আমিননগরে হাজী মিজান ট্রেডার্স নামে একটি তেলের দোকানে আগুন লেগে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি)বিকেল ৪টার পর
এ ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটে।
হাজী মিজান ট্রেডার্স এর ম্যানেজার আক্তার হোসেন বলেন, ড্রাম থেকে অকটেন বের করার সময়ে গ্যাসের সৃষ্টি হয়ে হঠাৎ আগুন লেগে যায়, অনেক চেষ্টা করে ও আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে পারিনি বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। পাশের ফার্নিচার দোকানের মালিক বিল্লাল হোসেন বলেন, আমার দোকানের মেশিন পত্র ও নকশা করার ফার্নিচারের মাল প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাজী মিজানুর রহমানের জ্বালানি তেলের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। দোকানে ডিজেল অকটেনের মতো পেট্রোলিয়াম দাহ্য পদার্থ থাকায় মুহূর্তে দাউ দাউ করে আগুন জ্লে ওঠে। তা স্থানীয়দের নিয়ন্ত্রণে বাইরে চলে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে তিতাস নদীতে থেকে পাইপ দিয়ে কাজ শুরু করেন। আগুনের ভয়াবহতা তীব্র আকার ধারণ করে। থেমে থেমে গ্যাস সিলিন্ডারগুলোর বিস্ফোরণ ঘটতে থাকে। পাশাপাশি উৎসুক জনতা তিতাস নদী থেকে পানি এনে আগুন নিয়ন্ত্রণের সহায়তা করেন। ভয়াবহ এ আগুনে রামচন্দ্রপুর বাজারে ১১ কেভি বৈদ্যুতিক সংযোগের তার পুড়ে গিয়ে আশপাশের গ্রামের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ আছে।
পল্লিবিদ্যুৎ এর একটি দল বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে কাজ শুরু করেছে।
কেম্পানীগঞ্জ জোনাল অফিসের এজিএম মোঃ ইয়াসিন আহমেদ বলেন, আগুনে অনেক মিটার ও তার পুড়ে গেছে।
ফায়ার সার্ভিসের নির্দেশনা পেলে কাজ শুরু করব।
বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল কাদের একটি পুলিশের টিম নিয়ে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাকিব হাসান সরেজমিনে এসে পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতি্গ্রস্ত ব্যবসায়ীদের খোঁজ খবর নেন। ফায়ার সার্ভিস মুরাদনগরের ইউনিট ম্যানেজার
মো. আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে আগুন নেভানোর
টিম কাজ করে।
ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মুরাদনগর ফায়ার ফাইটার মোঃ ইয়াসিন বলেন, এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত
সন্ধ্যা ৭ টার পর প্রায় তিন ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে।