মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি ঃ
প্রতি বছর শীত আসার এই সময়টা থেকেই গোমতী নদীর তীর থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার ধুম পড়ে যায়। নদীর ভেতরের মাটি কাটার কারণে প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে পড়ছে গোমতীর বেড়িবাঁধ। এমন অভিযোগের ভিত্তিত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন সুলতানা নিপা।
বৃহস্পতিবার কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের হিরার কান্দা এলাকায় গোমতি নদীর তীরে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় গোমতী নদীর তীর থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অপরাধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুসারে জাহাঙ্গীর নামে এক ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেন মুরাদনগর থানা পুলিশ।
গোমতী নদীর আশপাশের একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, প্রতি বছর শীতের মৌসুম আসলেই গোমতী নদীর পাড় থেকে মাটি নেয়ার কারনে এ এলাকায় ধুলাবালিতে আচ্ছন্ন হয়ে যায়। ঘর-বাড়ি বিছানাপত্রে বালুর স্তুপ পড়ে। রাস্তা ঘাটে চলাচল করা মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এমনকি রাস্তাঘাট গুলো দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে গোমতীর বেড়িবাঁধ।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন সুলতানা নিপা বলেন, গোমতী নদীর তীর থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে নিচ্ছে এমন খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করি। এ সময় মাটি কাটার সাথে জড়িত এক ব্যক্তিকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, গোমতী নদীকে বাঁচাতে আরও কঠোর হবে উপজেলা প্রশাসন। যারা মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত এদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।