আবদুল জলিল লাকসাম কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
২৭শে ডিসেম্বর ২০২৫ শনিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে ব্যাপক নির্বাচনী তৎপরতা শুরু করেছেন বৃহত্তর সুন্নি জোট মনোনীত ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ-এর প্রার্থী আলহাজ্ব মীর মুহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক। জোটের প্রতীক ‘চেয়ার’ মার্কার সমর্থনে তিনি নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মাজার জিয়ারত ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
মীর আবু বকর সিদ্দিক তার নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতেই পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নিজের বাবা ও দাদা-দাদির কবর জিয়ারত করেন। এরপর তিনি লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন আধ্যাত্মিক সাধক ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তিনি বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য কর্ণেল (অবঃ) এম. আনোয়ার উল আজিম এবং সাবেক সংসদ সদস্য এ টি এম আলমগীর সাহেবের কবর জিয়ারত করেন। রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সম্প্রীতির অংশ হিসেবে তার এই উদ্যোগ স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি লাকসাম ও মনোহরগঞ্জের অসংখ্য মাজার ও দরবার শরীফ জিয়ারত করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
লাকসাম এলাকা: পশ্চিমগাঁও গাজী শোহেদা ইয়ামেনী (রহঃ), দোগাইয়া চাঁদপুরী শাহ (রহঃ), কাঁটালিয়া আলতাফিয়া দরবার শরীফ, আউশপাড়া মাজার শরীফ, কালিয়াপুর পীরে কামেল মোল্লা কাজীমুদ্দিন (রহঃ) এবং হযরত শাহ সৈয়দ রাজা হোসাইন বোগদাদী (রহঃ) মাজার শরীফ।
মনোহরগঞ্জ এলাকা: বারাকাত বাগ দরবার শরীফ, হাসনাবাদ আশিয়াদারী পীর শাহ মাজার, শরীফপুর পীরে শাহ শরীফ বাগদাদী (রহঃ), বড় কেশতলা পীরে কামেল গাজী আমিরুল ইসলাম জালালী (রহঃ), নোয়াগাঁও পীরে কামেল আলী হোসাইন আহসাম চিশতী ছাবেরী (রহঃ) এবং বাংলাইশ শাহ সুফি মাওলানা মোবারক হোসেন হেলালী (রহঃ) মাজার।
এছাড়াও তিনি নরহরিপুর পীরে কামেল হযরত নছর উদ্দীন মিয়াজী (রহঃ), ঝলাম গ্রামের মাইজভান্ডারি কেবলার খলিফা শাহসুফি মাস্টার সুলতান আহমেদ এবং আবেদ নগর শাহছুফী আবেদ আলী (রহঃ) ও ইরুয়াইন এম. এ. বারী জেহাদী (রহঃ)-এর মাজার জিয়ারত করেন।
জিয়ারত শেষে মীর আবু বকর সিদ্দিক স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় ও গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি বৃহত্তর সুন্নি জোটের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরে ‘চেয়ার’ মার্কায় ভোট চেয়ে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়ন এবং ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষায় সুন্নি জোটের বিকল্প নেই।
স্থানীয় ভোটাররা জানান, প্রার্থীর এই ব্যাপক গণসংযোগ ও ধর্মীয় স্থানগুলোতে যাতায়াতের ফলে নির্বাচনী এলাকায় সুন্নি জোটের পক্ষে একটি নতুন গণজোয়ারের সৃষ্টি হচ্ছে।