• সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
Headline
বিএনপি সরকারে এলে কোরআন ও ইসলামের বিরুদ্ধে কোন আইন করবে না..ওলামা সম্মেলনে কায়কোবাদ মুরাদনগরে বিএনপিকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী এমদাদুল হক শ্রীকাইলে ধানের শীষের নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত Netent slots Canada real casino online guide লালমনিরহাটে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার ৩টি চোরাই মোটরসাইকেল মুরাদনগরে মাদক ও বেকারত্ব দূর করাই হবে আমার প্রথম কাজ – কায়কোবাদ পূর্বধলায় যৌথবাহিনীর রাতভর অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক দেশের অস্তিত্ব, কওমি মাদ্রাসা ও তাবলীগের অস্তিত্ব রক্ষায় ধানের শীষে ভোট দিন – কাজী শাহ্ আবু কাউছার মব ভায়োলেন্স বলে কিছু নেই, নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জামালগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ খানের নির্বাচনী জনসভা

পাঁচবিবি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডেপুটেশনে,চিকিৎসক সংকটে ধুকছে হাসপাতাল

Reporter Name / ২২৯ Time View
Update : শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

 

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি।।

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ৫০ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসক ও কর্মচারী সংকটে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে। বিগত সময়ে চিকিৎসা সেবা ও ব্যবস্থাপনায় দেশ সেরা সাফল্যের স্বীকৃতি পেলেও বর্তমানে অপ্রতুল্য জনবল নিয়ে হাসপাতালটি পরিচালনা ও চিকিৎসা সেবায় চাপে রয়েছেন কর্তৃপক্ষ । কাম্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এলাকাবাসী। তবে
চিকিৎসক ও কর্মচারী সংকটের বিষয়টি মাথায় নিয়েও রোগীদর কাংখিত সেবা প্রদানে যথাসাধ্য কাজ করছেন বলে জানান উপজলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তরুন কুমার পাল।

পাঁচবিবি উপজেলা শহর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে মহিপুরে ১১ একর ১৬ শতক জায়গার উপর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অবস্থিত। জানা গেছে, হাসপাতালটিতে মোট ২০৭টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ১৩১ জন । শুন্য পদের সংখ্যা ৭৩ জন । এর মধ্যে সিনিয়র, জুনিয়র ডাক্তার ও কনসালটেন্ট পদ মোট ২৮ জনের স্থলে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ১১ জন। নার্স ও মিডওয়াইফ পদে রয়েছেন ৩৯ জন। অন্যান্য তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর ১১০ জনের স্থলে রয়েছেন ৫২ জন এবং সিএইচপি ৩০টি পদের স্থলে আছে ২৯ জন। এছাড়া এখানে ডাঃ রেজোয়ানা শারমিন নামে একজন জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) চিকিৎসক হিসেবে যোগদান করলেও তদবিরের মাধ্যমে তিনি ডেপুটেশনে ঢাকার শহীদ সোহরাওর্য়াদী হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন। ফলে ঐ পদটি খাতা কলমেই সীমাবদ্ধ । এ কারনে হাসপাতালে গর্ভবতী সহ অন্যান্য মহিলারা চিকিৎসা নিতে এসে প্রতিদিন হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন । হাসপাতালে সিজারের জন্য ব্যবস্থা থাকলেও গাইনি সহ অন্য সকল চিকিৎসক না থাকায় প্রতিদিন গর্ভবতী মহিলা সহ গড়ে ১০ জন অন্যান্য রোগীকে জেলা হাসপাতালে রেফার্ড করে দেওয়া হয় । এখানে বিশেষ করে গাইনি চিকিৎসকের বিষয়টি প্রবাদ বাক্যের মত বলা যায়, “কাজীর গরু কেতাবে আছে, গোয়ালে নেই “।
জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) চিকিৎসক ডাঃ রেজোয়ানা শারমিনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার অথারিটি আমাকে যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন আমি সেভাবেই কাজ করছি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তরুন কুমার পাল বলেন, অনেক প্রতিকুলতার মধ্যেও আমরা প্রতিদিন আউটডোরে ৩ শত থেকে ৪ শত রোগী দেখছি । এছাড়া বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রায় সময় ৫০ জনের স্থলে ৭০/৮০ জন অনেক সময় শতাধিক রোগী ভর্তি থাকে । তিনি জানান ডাক্তার সংকট হওয়ার কারনে স্বল্প সংখ্যক কর্মরত ডাক্তারগণ অতিরিক্ত ডিউটি করছেন। এতে করে অনেক ডাক্তার অসুস্থও হয়ে পড়েন।
তিনি আরও বলেন, অনেক সীমাবদ্ধতার মাঝেও আমরা সর্বোচ্চ সেবা দেবার চেষ্টা করছি । ডাক্তার সংকট থাকায় প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি আমি নিজেও নিয়মিত ওয়ার্ডে ও অফিসে রোগী দেখি । তবে জনবল সংকটের কারনে আলট্রাসাউন্ড মেশিন সহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি থাকা সত্বেও একমাত্র ইসিজি ছাড়া সার্বক্ষণিক ভাবে অন্যান্য পরীক্ষা নিরীক্ষা সম্ভব হচ্ছে না । এছাড়া পরীক্ষার জন্য রিয়েজেন্ট ও এক্সরে ফিল্মের সংকট রয়েছে । তিনি চিকিৎসক ও কর্মচারী সংকটের বিষয়টি সংশ্লিস্ট উর্ধতন মহলকে অবগত করেছেন বলে জানান ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category