• শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
Headline
দেশের অস্তিত্ব, কওমি মাদ্রাসা ও তাবলীগের অস্তিত্ব রক্ষায় ধানের শীষে ভোট দিন – কাজী শাহ্ আবু কাউছার মব ভায়োলেন্স বলে কিছু নেই, নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জামালগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ খানের নির্বাচনী জনসভা বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার নির্বাচিত হলে জনগণের পরামর্শেই মুরাদনগর চলবে, সন্ত্রাস চাঁদাবাজদের ঠাঁই আমার কাছে হবে না – কায়কোবাদ মুরাদনগরে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ও শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ মুরাদনগরে গাছে ঝুলছিল যুবকের লাশ, পরিবারের দাবি হত্যা শহীদ জিয়ার দেশপ্রেমকে সম্মান জানিয়ে বিএনপিকে সমর্থন অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের রাজশাহীর আলো পত্রিকার বাৎসরিক বনভোজনে সৌহার্দ্যের উচ্ছ্বাস পারিবারিক বিরোধকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানোর অপচেষ্টার অভিযোগে বিএনপি’র সংবাদ সম্মেলন

সার সংকটে কুড়িগ্রামের কৃষক,আমন চাষিদের মাথায় হাত

Reporter Name / ১৬৮ Time View
Update : রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

মোঃ মশিউর রহমান বিপুল,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি।।

আমন মৌসুমের চূড়ান্ত সময়ে কুড়িগ্রামে দেখা দিয়েছে তীব্র রাসায়নিক সারের সংকট। এতে চাষিদের আবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন অভিযোগ ভুক্তভুকি কৃষক শ্রেণীর ,সংকট দেখিয়ে ডিলাররা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করছেন।

জেলা কৃষি অফিস জানায়, এ মৌসুমে জেলায় আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬০৮ একর জমিতে।

বাস্তবে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৬০০ একর জমিতে। অতিবৃষ্টি ও নিচু জায়গার কারণে প্রায় ৫২৪ একর জমি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে । এই আমন মাসে সারের চাহিদা রয়েছে ইউরিয়া ৮ হাজার ২২৬ মেট্রিক টন, টিএসপি ৯৮২ মেট্রিক টন, ডিওপি ২ হাজার ৬৪৮ মেট্রিক টন ও এমওপি ১ হাজার ৮১৮ মেট্রিক টন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁছগাছী,ঘোগাদহ,ভোগডাঙ্গা,বেলগাছা,যাত্রাপুর,হোলোখানা-সহ বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা চারা রোপণ ও জমিতে সার প্রয়োগে ব্যস্ত।

তবে সংকটের কারণ দেখিয়ে ঠিকমতো সার দিচ্ছে না ডিলাররা । পাঁছগাছী গ্রামের এনামুল হক বলেন, “যেখানে এক বস্তা সারের দরকার,সেখানে সার দিচ্ছে মাত্র ১০ কেজি। ”পাইকার ভিটা গ্রামের কৃষক কবির হোসেন জানান, সার না পাওয়ায় জমিতে ঠিকমতো ধান লাগাতে পারিনি।
কৃষকরা অভিযোগ করেছেন, সিন্ডিকেট গড়ে ডিলাররা কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন।
তবে সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের মেসার্স শহিদুল ট্রেডার্সের মালিক শহিদুল ইসলাম বলেন, “সারের কোনো সংকট নেই, কৃষকেরা বাড়িয়ে বলছেন। জেলা সার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আজিজ মিয়া জানান, চাহিদার তুলনায় সার কম আসছে। আমাদের কে উপর থেকে বলা হচ্ছে কৃষকদের বুঝিয়ে দিতে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজের সঙ্গে যোগযোগ করা হলে তিনি কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে যোগযোগ করার পরামর্শ দেন।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন,বলেন আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ সার মজুদ রয়েছে। একটি সিন্ডিকেট চক্র বেশি লাভের আশায় কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। কিন্তু আমাদের তদারকি বা মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর বেশি সার মজুদ রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category