• মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন

রাজশাহীতে ‘স্থায়ীত্বশীল তামাক নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি” শীর্ষক আলোচনা সভা

Reporter Name / ১০৫ Time View
Update : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫

সিরাজুল ইসলাম রনি, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি।।

তামাক ব্যবহারের কারণে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ ৬১ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করেন এবং আরও প্রায় ৫ লাখ মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যানসার সোসাইটির এক গবেষণা অনুযায়ী, তামাকজনিত রোগের চিকিৎসায় দেশের বছরে ৩০ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়। শুধু স্বাস্থ্য নয়, তামাকের কারণে অর্থনীতি ও পরিবেশও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই ক্ষতি কমিয়ে আনতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ— এমন মত দিয়েছেন বক্তারা।
বাংলাদেশ সরকার ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। এ লক্ষ্যে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগগুলোকেও সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে বেসরকারি উন্নয়ন ও মানবাধিকার সংস্থা লেডিস অর্গানাইজেশন ফর সোসাল ওয়েলফেয়ার (লফস) এর উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা) ও ডাব্লিউ বিবি ট্রাস্ট এর সহযোগিতায় রোববার (৯ নভেম্বর) কাটাখালী পৌরসভায় “স্থায়ীত্বশীল তামাক নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী কাটাখালী পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সিরাজু মুনীর, এবং সভাপতিত্ব করেন লফস-এর নির্বাহী পরিচালক শাহানাজ পারভীন।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বলেন, “স্থায়ীত্বশীল তামাক নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলোকেও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করা জরুরি। জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া তামাক ব্যবহার হ্রাস করা সম্ভব নয়।” তিনি আরও বলেন, “তামাক কোম্পানিগুলোর প্রচার ও বিপণনে আইনি কঠোরতা প্রয়োজন।”
অনুষ্ঠানে অতিথিদের মাঝে তামাকবিরোধী সাইন বিতরণ করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন কাটাখালী পৌরসভার উচ্চমান সহকারী মোঃ জাকির হোসেন, লাইসেন্স পরিদর্শক মোঃ অপুল আজিজ, অফিস সহকারী মোসাঃ নীলিমা, স্বাস্থ্যকর্মী সুরাইয়া আক্তার, সোহেল হাসান, কর আদায়কারী জাইদুর রহমান, সহকারী কর আদায়কারী সেলিম রেজা, রেসিডেনশিয়াল প্রকৌশলী (পানি) হাসানুজ্জামান, কার্য সহকারী মাহবুবুর রহমান, নাজিমুদ্দীন, হিসাব রক্ষক জহিরুল, বাবু মাজদার প্রমুখ।
এছাড়া লফস-এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রোগ্রাম ম্যানেজার সালাউদ্দিন, প্রোগ্রাম অফিসার চম্পা খাতুন ও মুক্তা সরকার।
আলোচনা সভা পরিচালনা করেন লফস-এর প্রোগ্রাম অ্যাসিস্ট্যান্ট ফাহমিদা আহমেদ (স্মৃতি)।
বক্তারা তামাকবিরোধী কার্যক্রমে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি, আইনি প্রয়োগ জোরদার এবং জনসচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category