• সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন

জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ধারণ না করলে অন্তর্বর্তী সরকারের পরিণতিও খারাপ হবে: সাদিক কায়েম

Reporter Name / ১০০ Time View
Update : শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫

 

আসাদুল ইসলাম কুষ্টিয়া,প্রতিনিধি।।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যদি ‘জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা’ ধারণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদের পরিণতি ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনার চাইতেও খারাপ হতে পারে। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাত ১১টায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামে শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত শেষে তিনি সাংবাদিকদের সামনে এ মন্তব্য করেন।

সাদিক কায়েম বলেন, ‘এক বছর পেরিয়ে গেলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যেভাবে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করার দরকার ছিল, সেভাবে ধারণ করছে না। আমরা অনুরোধ করব, শহীদেরা যে জন্য জীবন দিয়েছেন, সেই আকাঙ্ক্ষা যেন তারা ধারণ করে। যদি তা না হয়, তবে ফ্যাসিবাদী হাসিনার যে পরিণতি হয়েছে, তার চাইতেও খারাপ পরিণতি তাদের হবে।’

শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন সাদিক কায়েম। ছবি: আজকের পত্রিকা
শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন সাদিক কায়েম। ছবি: আজকের পত্রিকা
ডাকসু ভিপি দাবি করেন, আবরারের দেখানো পথেই দেশে ‘জুলাই বিপ্লব’ সংগঠিত হয়েছে। তিনি আবরার ফাহাদকে বাংলাদেশের ‘জাতীয় ঐক্যের প্রতীক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘পুরো বাংলাদেশ ছিল ভারতের সাবলেট কলোনি। ভারতের প্রেসক্রিপশনে সবকিছু নির্ধারিত হতো। সেই সময় অর্থনৈতিক শোষণ, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও সাংস্কৃতিক গোলামির বিরুদ্ধে শহীদ আবরার কথা বলেছিলেন। সব আগ্রাসন, আধিপত্য ও ছাত্রলীগের নির্যাতনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন, প্রতিবাদ করেছিলেন। আধিপত্যের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই আবরার ফাহাদকে ছাত্রলীগ নির্মমভাবে খুন করেছিল।’

সাদিক কায়েম জানান, ডাকসুর পক্ষ থেকে প্রতিবছর ৭ অক্টোবরকে (আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের দিন) ‘আগ্রাসনবিরোধী দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হবে।

তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলেছি, প্রতিবছর ৭ অক্টোবরকে যেন আধিপত্যবাদবিরোধী অথবা আগ্রাসনবিরোধী দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।’

কবর জিয়ারতের সময় আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহসহ স্থানীয় জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category