নিজস্ব প্রতিনিধি।।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদিকা বিএনপি নেত্রী শামীমা আক্তার রুবী
মহিলা সংরক্ষিত আসনে এমপি হওয়ার সম্ভাব্য প্রর্থীদের মধ্যে বেশ আলোচনায় রয়েছেন। তিনি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার রাজা চাপিতলা গ্রামের কৃতিসন্তান। তিনি বিএনপি’র রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ পরিচিত একটি মুখ।
শামীমা আক্তার রুবী দীর্ঘ ১৭ বছর বাংলাদেশের রাজপথে যেমন সক্রিয় ছিলেন তেমনিভাবে বর্হিবিশ্বে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইউরোপ আমেরিকা সহ ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট, ইউরোপীয়ান কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, আন্তর্জাতিক আদালত, জাতিসংঘসহ যেখানে হাছিনা সেখানেই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিলেন। বিএনপির চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিটি মিটিং মিছিলে থেকে রাজনীতি করেছেন। মহিলা দলের পক্ষে থেকে বহুবার বিএনপির চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্টেজে বক্তব্য রেখেছেন। ঢাকা -১৭ এবং কুমিল্লা -৩ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবার্চন পরিচালনা কমিটির সহ সমন্বয়ক, প্রচার প্রচারনা ও প্রকাশনা উপকমিটি সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিকভাবে দক্ষ ও সাংগঠনিকভাবে যথেষ্ট সুপরিচিত। বিগত স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলন যেমনি ছিলেন রাজপথে তেমনি দুঃসাহসিক ছিলেন পত্রিকায় সম্পাদকীয় কলাম লেখালেখিতে। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে তার লেখা ‘মুক্তি চাই’ গান সারাদেশে তারণ্যের সমাবেশে প্রশংসিত হয়েছে।
সংরক্ষিত মহিলা আসনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি মুরাদনগরের উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করবো।” তার এই অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেছেন, অভিজ্ঞ ও দক্ষ নেতৃত্ব হিসেবে তিনি জাতীয় সংসদে নারীদের কণ্ঠ আরও জোরালোভাবে তুলে ধরতে পারবেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, শামীমা আক্তার রুবী এমপি হলে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন নেতৃত্বের উদাহরণ স্থাপন হবে, যা বিশেষ করে নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং যুব সমাজকে সক্রিয় করার ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে। মুরাদনগরের মানুষের আশা ও আস্থা রুবীর নেতৃত্বে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা পরবর্তী নির্বাচনে তাঁর প্রার্থীতা ও রাজনৈতিক প্রভাবকে শক্তিশালী করবে। তাঁর প্রতিভা, দৃঢ় সংকল্প এবং জনসেবামূলক মনোভাব কেবল বিএনপির জন্য নয়, বরং মুরাদনগরের নারী ও যুব সমাজের জন্য একটি নতুন স্বপ্নের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।