• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
Headline
সোনারগাঁয়ে ব্রিজের নিচে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার চাপিতলার শ্রীরামপুরে ভাঙ্গা সড়ক সংস্কার করলেন বিএনপি নেতা সাইদুল কেউ চাঁদা চাইলে থানায় সোপর্দ করবেন, রাস্তার কাজে যেন অনিয়ম না হয় – ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ ১০ দিন ধরে নিখোঁজ ১২ বছরের সামিম, সন্ধান চায় পরিবার মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবি:নিখোঁজের দুই দিন পর তিনজনের মরদেহ উদ্ধার মুরাদনগরে সামছুল হক কলেজে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ মুরাদনগরে ফেক আইডি ব্যবহার করে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার, থানায় জিডি হোসেনপুর এস.পি. ইউনিয়ন ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির ক্লাস উদ্বোধন হোসেনপুর এস.পি. ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা মহানবী (সা.) সমগ্র সৃষ্টির জন্য রহমত ড. মুহাম্মদ নাছিরউদ্দীন সোহেল

জাকির সরকারের মহতি উদ্যোগে কুষ্টিয়া শহর নতুন রূপে সেজেছে

Reporter Name / ৩৪৪ Time View
Update : শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

কে এম শাহীন রেজা, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি ॥

সাংস্কৃতিক রাজধানী খ্যাত কুষ্টিয়া শহরকে আরও সবুজ, নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আজ থেকে প্রায় ৬ মাস মাস আসে এক প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার। তাঁর ব্যক্তিগত আগ্রহ ও দায়বদ্ধতা থেকে কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সৌন্দর্যবর্ধক বৃক্ষা ও ফুলের চারা রোপণ করেছিলেন। এই উদ্যোগ কেবল শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করছে না, বরং একটি পরিবেশবান্ধব, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য নগরী গঠনের পথও সুগম করছে। তিনি তার নিজ তত্ত্বাবধানে কুষ্টিয়া শহরের ব্যস্ততম মহাসড়কের ডিভাইডারের মাঝে বটতৈল থেকে ত্রিমোহনী পর্যন্ত, পরিণত হয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির রঙিন ফুল ও সবুজ গাছের ছোট ছোট বাগানে। এসব সজ্জিত বাগান পথচারী ও যাত্রীদের ইতিমধ্যে নজর কেড়েছে, শহরে এনে দিয়েছে এক প্রশান্তির পরিবেশ।
প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারের ‘ক্লিন কুষ্টিয়া গ্রীন কুষ্টিয়া’ নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে চলতি বছরের মার্চ মাসের ২০ তারিখে তৎকালীন জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ডিভাইডারের মাঝে বাহারি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছ রোপণের কার্যক্রম চালু করেছিলেন। তার পর থেকে তার প্রতিষ্ঠিত ‘ক্লিন কুষ্টিয়া গ্রীন কুষ্টিয়া’ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে নিরলস পরিশ্রম করে আজ কুষ্টিয়া একটি ফুলের নগরীতে রূপান্তরিত করেছেন। এ কর্মসূচির মাধ্যমে রোপিত গাছপালাগুলো কেবল শহরের রূপকে উজ্জ্বল করে নাই, করেছে তাপমাত্রা হ্রাস, ধূলিকণা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
পরিবেশ রক্ষায় সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে জাকির হোসেন সরকার বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য কুষ্টিয়া নির্মাণে সহায়ক হবে নিঃসন্দেহে। ইচ্ছা আর উদ্যোগ থাকলেই ব্যক্তি পর্যায় থেকেও শহরের পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় ভূমিকা রাখা সম্ভব। তিনি আরো বলেন, রাজশাহী সিটি নগরীর আদলে আমি এঁটা তৈরী করেছি। ইতিমধ্যে জনসাধারণের প্রশংসা ও উৎসাহ এই উদ্যোগে ইতোমধ্যে শহরবাসীর দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। অনেকেই তাঁর এ কর্মপ্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং শহরের অন্যান্য সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
পরিবেশবিদ গৌতম কুমার রায় বলেন, কুষ্টিয়াকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও নান্দনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর এই দূরদর্শী চিন্তা ও নিরলস পরিশ্রমের ফলে আজ কুষ্টিয়া শহর নতুন রূপে সেজেছে, যা ভবিষ্যতে একটি মডেল শহর হিসেবে দেশবাসীর সামনে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category