• সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
Headline
বিএনপি সরকারে এলে কোরআন ও ইসলামের বিরুদ্ধে কোন আইন করবে না..ওলামা সম্মেলনে কায়কোবাদ মুরাদনগরে বিএনপিকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী এমদাদুল হক শ্রীকাইলে ধানের শীষের নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত Netent slots Canada real casino online guide লালমনিরহাটে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার ৩টি চোরাই মোটরসাইকেল মুরাদনগরে মাদক ও বেকারত্ব দূর করাই হবে আমার প্রথম কাজ – কায়কোবাদ পূর্বধলায় যৌথবাহিনীর রাতভর অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক দেশের অস্তিত্ব, কওমি মাদ্রাসা ও তাবলীগের অস্তিত্ব রক্ষায় ধানের শীষে ভোট দিন – কাজী শাহ্ আবু কাউছার মব ভায়োলেন্স বলে কিছু নেই, নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জামালগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ খানের নির্বাচনী জনসভা

রৌমারীতে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণে স্মৃতিসৌধ স্থাপনের দাবি জানান… সদস্য সচিব মশিউর রহমান পলাশ 

Reporter Name / ২০৫ Time View
Update : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

মাসুদ পারভেজ ,রৌমারী (কুড়িগ্রাম)  প্রতিনিধি ।।

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাদের নৃশংসতার এক ভয়াবহ কেন্দ্র। মুক্তিকামী জনগণের দুর্বার সংগ্রাম এবং পাকিস্তানি সেনাদের দমন-নীতি এ অঞ্চলকে পরিণত করেছিল মুক্তিকামীদের এক নিরাপদ ঘাঁটি ও রণাঙ্গনের কেন্দ্রে। এই বীরত্বগাথা ইতিহাস সংরক্ষণ ও পরবর্তী প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে রৌমারীতে একটি স্থায়ী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ২৮ আগস্ট ২০২৫ ইং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল, রৌমারী উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার উজ্জ্বল কুমার হালদার এর নিকট স্মৃতিসৌধ স্থাপনের জন্য লিখিত আবেদন জানানো হয়। আবেদনপত্রে বলা হয়, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় রৌমারী থানা ছিল স্বাধীনতাকামী জনগণের প্রধান আস্তানা ও মুক্তিকামীদের দুর্গ। রৌমারীর সীমান্তবর্তী হওয়ায় হাজারো মুক্তিকামী ও নির্যাতিত জনগণ এখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। পাকিস্তানি সেনাদের নৃশংসতা থেকে বাঁচতে অসংখ্য নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ ও শিশু এই অঞ্চলে এসে ঠাঁই পান। বিদেশি গণমাধ্যমেও রৌমারীর মুক্তিকামী ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছিল। বিশ্বখ্যাত প্রামাণ্যচিত্র “Country Made for Disaster” এবং “Date Line Bangladesh”-এ রৌমারীর মুক্তিকামী চিত্র ফুটে ওঠে।

এ অঞ্চলের মুক্তিকামী সংগ্রামে অসামান্য অবদান রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তার দূরদর্শী নেতৃত্বে রৌমারী থানা মুক্তাঞ্চল হিসেবে পরিচিত হয়। রৌমারীর জনগণ অসীম ত্যাগ স্বীকার করে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং দেশ স্বাধীন করার পথে এক বিশাল অবদান রাখেন।

তবে দুঃখজনক হলেও সত্য যে, স্বাধীনতার এত বছর পেরিয়ে গেলেও রৌমারীর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণে এখনো কোনো স্থায়ী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়নি। এতে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল রৌমারী উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে লিখিত আবেদনে বলা হয়, উপজেলায় কোনো উপযুক্ত ও দৃশ্যমান স্থানে — যেমন উপজেলা পরিষদ চত্বর, শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে — একটি মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা জরুরি। এতে করে মুক্তিকামী জনতার ত্যাগ ও আত্মদানের ইতিহাস নতুন প্রজন্ম জানতে পারবে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অক্ষুণ্ণ থাকবে।

এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের স্মরণে স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল, রৌমারী উপজেলা শাখার সদস্য সচিব মো. মশিউর রহমান পলাশ।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category