• সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
Headline
বিএনপি সরকারে এলে কোরআন ও ইসলামের বিরুদ্ধে কোন আইন করবে না..ওলামা সম্মেলনে কায়কোবাদ মুরাদনগরে বিএনপিকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী এমদাদুল হক শ্রীকাইলে ধানের শীষের নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত Netent slots Canada real casino online guide লালমনিরহাটে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার ৩টি চোরাই মোটরসাইকেল মুরাদনগরে মাদক ও বেকারত্ব দূর করাই হবে আমার প্রথম কাজ – কায়কোবাদ পূর্বধলায় যৌথবাহিনীর রাতভর অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক দেশের অস্তিত্ব, কওমি মাদ্রাসা ও তাবলীগের অস্তিত্ব রক্ষায় ধানের শীষে ভোট দিন – কাজী শাহ্ আবু কাউছার মব ভায়োলেন্স বলে কিছু নেই, নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জামালগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ খানের নির্বাচনী জনসভা

কুড়িগ্রামে নড়বড়ে সেতুর গাইড ওয়ালের স্লাব! নিম্নমানের নির্মাণে জনমনে ক্ষোভ

Reporter Name / ২০১ Time View
Update : সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

মোঃ মশিউর রহমান বিপুল, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি।।

কুড়িগ্রামর চিলমারীতে পাত্রখাতা খালের উপর সেতু নির্মাণে চরম অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নিমার্ণাধীন সেতুটির সংযোগ সড়কের গাইড ওয়ালের স্লাব হাতের সামান্য চাপেই ভেঙে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান,‘সেতুটির মূল কাজ শেষ হয়েছে, এখন সংযোগ সড়কের গাইড ওয়ালের কাজ চলছে। কিন্তু গাইড ওয়ালের স্লাবে হাতের চাপ পড়লেই স্লাবের কংক্রিট ভেঙে ধূলায় পরিণত হচ্ছে। এতে বোঝা যায়, কী পরিমাণ নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে।’ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অফিস সুত্রে জানাযায় উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়নে পাত্র খাতা এলাকায় ২০২১-২২ অর্থবছরে রংপুর বিভাগ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় ৬৮ মিটার সেতুটির কাজ ২০২১ সালের ২ ডিসেম্বর শুরু হয়। দরপত্র অনুযায়ী সেতুটির কাজ ২০২৩ সালের ৮ জুন শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি শেষ করতে পারেনি। পরে কাজটির মেয়াদ ২০২৫ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ৩ কোটি ৪০ লাখ ৩১ হাজার ২৯৬ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ সেতুটির কাজ করছে মেসার্স বসুন্ধরা এণ্ড মেসার্স খায়রুল এন্টার প্রাইজ।

সরেজমিন সেতু এলাকা গিয়ে দেখা যায়, মূল সেতুর কাজ শেষে সেতুর সংযোগ সড়কের কাজ চলমান রয়েছে। সংযোগ সড়কের গাইড ওয়ালে ব্যবহৃত কংক্রিটের ভাঙ্গা স্লাব জড়ো করে রাখা হয়েছে। এ সময় রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা রিয়াজুল জান্নাহ দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল আজিজ আকন্দ বলেন, ‘আমরা দেখেছি, নির্মাণকাজের সময় সিমেন্ট-পাথরের গুণগত মান ঠিক ছিল না। এখন তার ফল ভোগ করছি। স্লাবে হাতের চাপ পড়লেই স্লাবের কংক্রিট ভেঙে ধূলায় পরিণত হচ্ছে।’ স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম(৫৫) বলেন, ‘এই সেতু আমাদের চলাচলের একমাত্র পথ। সেতু নিমার্ণে এতটাই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার হয়েছে যে সেতুটির স্থায়ীত্ব নিয়ে আমরা শঙ্কায় রয়েছি। নানা অনিয়মের মধ্যে দিয়ে সেতুটির কাজ সম্পন্ন হচ্ছে, অথচ বারবার স্থানীয় এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ করেও কাজের গুণগত মান ঠিক হয়নি।’ এ বিষয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী লেলিনের মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উপজেলা প্রকৌশলী জুলফিকার আলী বলেন,স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা সেতু এলাকায় যাই। সেখানে রিজেক্টেড কিছু ব্লক যেগুলো স্লাবের উপর রেখে দিছে, আমি তাৎক্ষণিভাবে সেগুলোকে অপসারণ করার জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিকে বলা হয়েছে । এ ধরণের নিম্ন মানের ব্লক ব্যবহার করা হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category