• রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
Headline
কুমিল্লা-৩ আসনে ৯ প্রার্থীর ৭ জনই হারালেন জামানত “দল নয়, অপরাধ দেখব” মুরাদনগর এমপি’র ছোট ভাই আরেফীনের কড়া বার্তা মুরাদনগরে অস্বচ্ছল হিন্দু সম্প্রদায়কে ৫ লাখ টাকা অনুদান দিলেন নব নির্বাচিত কায়কোবাদ কায়কোবাদ ষষ্ঠবারের মতো সংসদে যাচ্ছেন বিএনপি সরকারে এলে কোরআন ও ইসলামের বিরুদ্ধে কোন আইন করবে না..ওলামা সম্মেলনে কায়কোবাদ মুরাদনগরে বিএনপিকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী এমদাদুল হক শ্রীকাইলে ধানের শীষের নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত Netent slots Canada real casino online guide লালমনিরহাটে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার ৩টি চোরাই মোটরসাইকেল মুরাদনগরে মাদক ও বেকারত্ব দূর করাই হবে আমার প্রথম কাজ – কায়কোবাদ

কুমিল্লা-৩ আসনে ৯ প্রার্থীর ৭ জনই হারালেন জামানত

Reporter Name / ১০ Time View
Update : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

 

মো. রাসেল মিয়া, মুরাদনগর (কুমিল্লা)।। 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষে চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, নির্ধারিত ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত সরকারি কোষাগারে জমা হবে।
শনিবার দুপুরে কুমিল্লা-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ১৭ ও ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্ধারিত অঙ্কের টাকা জামানত হিসেবে জমা দিতে হয়। মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে ওই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

ঘোষিত ফলাফলের চিত্র:
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯১ হাজার ২২৭ জন। এ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৭০৭টি, যা মোট ভোটারের ৫৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এর মধ্যে ৯ হাজার ৩৩টি ভোট বাতিল হওয়ায় বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৭৪। সে হিসাবে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩৩ হাজার ৫৮৪ ভোট।
প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন (কায়কোবাদ) ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. ইউসুফ সোহেল পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৫৮০ ভোট। এই দুই প্রার্থী ছাড়া বাকি ৭ জনই প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি।

জামানত হারানো প্রার্থীরা:
জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের আহমদ আবদুল কাইয়ুম ৩,৩৮০ ভোট, আমজনতার দল-এর প্রজাপতি প্রতীকের চৌধুরী রকিবুল হক ২৪৮ ভোট, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)-এর ট্রাক প্রতীকের মনিরুজ্জামান ২১৭ ভোট, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি)-এর হাতি প্রতীকের মো. এমদাদুল হক ৫৩৮ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেস-এর ডাব প্রতীকের মো. খোরশেদ আলম ৬৮৮ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ-এর আপেল প্রতীকের মো. শরীফ উদ্দিন সরকার, ১৮০ ভোট এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর সিংহ প্রতীকের রিয়াজ মো. শরীফ ১৫০ ভোট।
নির্বাচনী ফলাফলে দেখা যায়, দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর বাইরে অন্য প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে এ আসনে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা মূলত দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category