• শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন
Headline
বন্দরে মাদকের দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত সোনারগাঁ জি.আর ইনস্টিটিউশনে গভর্নিং বডির সভাপতি হলেন অধ্যাপক হাফিজ উল্লাহ বাঙ্গরায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল মুরাদনগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে বিএনপির দোয়া মাহফিল মুরাদনগরে পায়ব হাজী আব্দুল গণি উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাঙ্গরায় সাড়ে নয়শ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার, মা-ছেলে সহ আটক ৪ সোনারগাঁ ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ইউএনও সাধারন সম্পাদক সজিব হোসেনপুর এস.পি ইউনিয়ন ডিগ্রি কলেজে নতুন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল গনি মনোনীত নিয়ন্ত্রণ হারানো ট্রাকের ধাক্কায় পথচারী নিহত ১আহত ৪ বন্দরে শীতলক্ষ্যা নদীতর গোসল করতে নেমে গার্মেন্টস কর্মী স্বাধিনের মৃত্যু

কুমিল্লা-৩ আসনে ৯ প্রার্থীর ৭ জনই হারালেন জামানত

Reporter Name / ১৬৮ Time View
Update : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

 

মো. রাসেল মিয়া, মুরাদনগর (কুমিল্লা)।। 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষে চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, নির্ধারিত ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত সরকারি কোষাগারে জমা হবে।
শনিবার দুপুরে কুমিল্লা-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ১৭ ও ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্ধারিত অঙ্কের টাকা জামানত হিসেবে জমা দিতে হয়। মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে ওই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

ঘোষিত ফলাফলের চিত্র:
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯১ হাজার ২২৭ জন। এ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৭০৭টি, যা মোট ভোটারের ৫৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এর মধ্যে ৯ হাজার ৩৩টি ভোট বাতিল হওয়ায় বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৭৪। সে হিসাবে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩৩ হাজার ৫৮৪ ভোট।
প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন (কায়কোবাদ) ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. ইউসুফ সোহেল পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৫৮০ ভোট। এই দুই প্রার্থী ছাড়া বাকি ৭ জনই প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি।

জামানত হারানো প্রার্থীরা:
জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের আহমদ আবদুল কাইয়ুম ৩,৩৮০ ভোট, আমজনতার দল-এর প্রজাপতি প্রতীকের চৌধুরী রকিবুল হক ২৪৮ ভোট, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)-এর ট্রাক প্রতীকের মনিরুজ্জামান ২১৭ ভোট, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি)-এর হাতি প্রতীকের মো. এমদাদুল হক ৫৩৮ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেস-এর ডাব প্রতীকের মো. খোরশেদ আলম ৬৮৮ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ-এর আপেল প্রতীকের মো. শরীফ উদ্দিন সরকার, ১৮০ ভোট এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর সিংহ প্রতীকের রিয়াজ মো. শরীফ ১৫০ ভোট।
নির্বাচনী ফলাফলে দেখা যায়, দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর বাইরে অন্য প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে এ আসনে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা মূলত দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category