• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন
Headline
প্রিয় শিক্ষকদের সান্নিধ্যে হোসেনপুর এস.পি. ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮৮ ব্যাচের পুনর্মিলন সোনারগাঁয়ে আলোচনায় মেম্বার পদপ্রার্থী আল-আমিন,তার নিজস্ব অর্থায়নে এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন মুরাদনগরে মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১৩ জন গ্রেপ্তার মুরাদনগরে দিনব্যাপী কওমি মাদরাসা শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত শান্ত মুরাদনগরে বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না: আ.লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির মিছিল সোনারগাঁয়ে কার্যক্রম আওয়ামীলীগ নেতা, ওয়ারেন্ট ও মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় ১৪ জন গ্রেফতার বন্দরে কুমির আতঙ্ক, ধরতে গিয়ে হিমশিম বন বিভাগের মুরাদনগরে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের ৩ জন গ্রেপ্তার কথা রাখলেন ধর্মমন্ত্রী, শেষ হচ্ছে নৈরপাড়-এলখাল মানুষের ভোগান্তি সোনারগাঁয়ে মেঘনায় গোসলে নেমে নিখোঁজ ৩ ছাত্র: দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লা-৩ আসনে ৯ প্রার্থীর ৭ জনই হারালেন জামানত

Reporter Name / ২০৯ Time View
Update : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

 

মো. রাসেল মিয়া, মুরাদনগর (কুমিল্লা)।। 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষে চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, নির্ধারিত ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত সরকারি কোষাগারে জমা হবে।
শনিবার দুপুরে কুমিল্লা-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ১৭ ও ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্ধারিত অঙ্কের টাকা জামানত হিসেবে জমা দিতে হয়। মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে ওই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

ঘোষিত ফলাফলের চিত্র:
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯১ হাজার ২২৭ জন। এ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৭০৭টি, যা মোট ভোটারের ৫৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এর মধ্যে ৯ হাজার ৩৩টি ভোট বাতিল হওয়ায় বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৭৪। সে হিসাবে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩৩ হাজার ৫৮৪ ভোট।
প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন (কায়কোবাদ) ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. ইউসুফ সোহেল পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৫৮০ ভোট। এই দুই প্রার্থী ছাড়া বাকি ৭ জনই প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি।

জামানত হারানো প্রার্থীরা:
জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের আহমদ আবদুল কাইয়ুম ৩,৩৮০ ভোট, আমজনতার দল-এর প্রজাপতি প্রতীকের চৌধুরী রকিবুল হক ২৪৮ ভোট, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)-এর ট্রাক প্রতীকের মনিরুজ্জামান ২১৭ ভোট, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি)-এর হাতি প্রতীকের মো. এমদাদুল হক ৫৩৮ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেস-এর ডাব প্রতীকের মো. খোরশেদ আলম ৬৮৮ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ-এর আপেল প্রতীকের মো. শরীফ উদ্দিন সরকার, ১৮০ ভোট এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর সিংহ প্রতীকের রিয়াজ মো. শরীফ ১৫০ ভোট।
নির্বাচনী ফলাফলে দেখা যায়, দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর বাইরে অন্য প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে এ আসনে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা মূলত দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category