• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
Headline
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উপলক্ষে মুরাদনগরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নতমানের খাবার বিতরণ সোনারগাঁয়ে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রোহান নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার মুরাদনগরে ৫২৫ পিস ইয়াবাসহ চট্টগ্রামের নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মুরাদনগরে সড়কের নিম্নমানের ইট অপসারণের নির্দেশ উপজেলা প্রকৌশলীর প্রস্তাবিত ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়াল রেলে বাঁশকাইটে স্টেশন স্থাপনের দাবিতে মুরাদনগরে মানববন্ধন মুরাদনগরে বিশেষ শিশুদের ‘প্রতিভা’ স্কুলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত, অনুদান ঘোষণা ধর্মমন্ত্রীর অতীতে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা হয়েছে, এখন জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা করতে চাইছে একটি দল: মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ মুরাদনগরে এইচএসসির ফলে বড় বিপর্যয়: পাসের হার প্রায় ৪০.১০%, শীর্ষে ‘ অধ্যাপক আবদুল মজিদ’ সর্বনিম্ন ‘বাইড়া’ মুরাদনগরে যুব দিবসে ১০ যুবক-যুবতী পেলেন সাড়ে ১০ লাখ টাকার ঋণ

মুরাদনগরে দিন দিন বাড়ছে চোখ উঠা রোগী

Reporter Name / ৭৮২ Time View
Update : সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার মুরাদনগরে হঠাৎ করে বেড়ে গেছে চোখ উঠা বা কনজাংটিভাইটিস
রোগী। প্রতিবছর গ্রীষ্মে এ ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগের দেখা মিললেও
এবার শরতে বেড়েছে এর প্রকোপ। চোখ ওঠার কারণে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে যাচ্ছে
না। হাসপাতাল ও চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারেও বাড়ছে চোখ ওঠা রোগীর
সংখ্যা।
জানা যায়, মুরাদনগর হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ৩০ জন চোখ ওঠা
রোগী চিকিৎসা গ্রহণ করছে। তাছাড়া, চিকিৎসকের প্রাইভেট চেম্বার ও পল্লী
চিকিৎসকের নিকট চোখ ওঠা রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। ফলে চিকিৎসা
সেবা কেন্দ্রে এখন চোখ ওঠা রোগীর ভিড় বাড়ছে।
চক্ষু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা ভাইরাস জনিত রোগ। এতে ভয়ের তেমন কিছু নেই।
কারো চোখে তাকালেই চোখ উঠা রোগ হয় না। তবে এ রোগ ছোঁয়াচে, এটির
জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির কোনো
কিছু না ছোঁয়া ও তাদের ব্যবহারের জিনিস আলাদা করতে হবে।
কনজাংটিভাইটিস (চোখ ওঠা) রোগ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন মুরাদনগর
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমুল আলম। এ ব্যপারে তিনি
বলেন, “কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা রোগ এ সময়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এ সমস্যা থেকে তিন চার দিনের মধ্যেই আরোগ্য লাভ করা
যায়। আক্রান্ত রোগী চোখে কালো গøাসের চশমা ব্যবহার করা, রোদে যথাসম্ভব
কম যাওয়া, চোখে হাত না-দেওয়া, চোখ পরিষ্কার করতে নরম টিস্যু ব্যবহার করা,
পুকুর বা নদীনালায় গোসল না-করা, রোগীর ব্যবহৃত তোয়ালে বা অন্যান্য জিনিসপত্র
পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের থেকে আলাদা রাখা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া এবং চক্ষু
চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া। এ রোগ বিষয়ে না ঘাবড়িয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে আসুন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চললে এ সমস্যা থেকে স্বল্প
সময়ে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category