• রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
Headline
শ্রীকাইলে ধানের শীষের নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার ৩টি চোরাই মোটরসাইকেল মুরাদনগরে মাদক ও বেকারত্ব দূর করাই হবে আমার প্রথম কাজ – কায়কোবাদ পূর্বধলায় যৌথবাহিনীর রাতভর অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক দেশের অস্তিত্ব, কওমি মাদ্রাসা ও তাবলীগের অস্তিত্ব রক্ষায় ধানের শীষে ভোট দিন – কাজী শাহ্ আবু কাউছার মব ভায়োলেন্স বলে কিছু নেই, নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জামালগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ খানের নির্বাচনী জনসভা বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার নির্বাচিত হলে জনগণের পরামর্শেই মুরাদনগর চলবে, সন্ত্রাস চাঁদাবাজদের ঠাঁই আমার কাছে হবে না – কায়কোবাদ মুরাদনগরে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ও শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

সাপে কাটা রোগীদের জন্য দেশে প্রথম বিশেষায়িত ওয়ার্ড চালু রামেকে

Reporter Name / ৭৯ Time View
Update : শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫

 সিরাজুল ইসলাম (রনি) রাজশাহী প্রতিনিধি।।
দেশে প্রথমবারের মতো শুধু সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত একটি ওয়ার্ড চালু করেছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল। সাপে কাটায় মৃত্যুহার কমানো ও দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে রামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
বৃহস্পতিবার হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদের উদ্বোধনের মাধ্যমে ১২ শয্যার হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিট (এইচডিইউ) মানের এই বিশেষ ওয়ার্ডটি চালু হয়। পুরোনো ক্যানটিনের জায়গায় নির্মিত এই ইউনিটে আটজন পুরুষ ও চারজন নারী রোগীর জন্য পৃথক শয্যার ব্যবস্থা রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে ওয়ার্ডের বাইরেও রোগীদের সেবা দেওয়া হবে।
ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আবু শাহীন মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। তিনি বর্তমানে রাসেলস ভাইপার সাপের বিষ নিয়ে পিএইচডি করছেন।
হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত রামেকে ১ হাজার ২০৫ জন সাপে কাটা রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ২৬০ জন বিষধর সাপের কামড়ে আক্রান্ত ছিলেন এবং ৩০ জন মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে ১০ জন রাসেলস ভাইপারের কামড়ে, বাকিরা কালাচ, কেউটে ও গোখরার কামড়ে মারা যান।
ডা. আবু শাহীন জানান, ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত রাসেলস ভাইপারের কামড়ে মৃত্যুহার ছিল ২৭ শতাংশ, যা এখন চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতির কারণে অনেক কমেছে। নতুন ওয়ার্ডে সমন্বিত চিকিৎসা, সার্বক্ষণিক চিকিৎসক-নার্স, পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম ও দ্রুত সেবা নিশ্চিত হওয়ায় মৃত্যুহার আরও কমবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি অ্যান্টিভেনম ডোজের মূল্য প্রায় ১৩ হাজার টাকা। এক ডোজে ১০টি ভায়াল লাগে এবং অনেক রোগীর ক্ষেত্রে একাধিক ডোজ প্রয়োজন হয়। তবুও রোগীরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এসব চিকিৎসা ও ওষুধ পাবেন। রোগী আসার সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসা শুরু হবে, এক মিনিটও দেরি করা হবে না।
হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহাম্মদ বলেন, “আগে সাপে কাটা রোগীদের বড় ওয়ার্ডের এক কোণায় চিকিৎসা হতো। অনেক সময় দেরিতেও হাসপাতালে আসতেন। এখন আলাদা ওয়ার্ড থাকায় দ্রুত এবং মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল ইমার্জেন্সি ইউনিট, যেখানে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসক ও নার্স উপস্থিত থাকবেন।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category