• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১৪ অপরাহ্ন
Headline
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উপলক্ষে মুরাদনগরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নতমানের খাবার বিতরণ সোনারগাঁয়ে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রোহান নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার মুরাদনগরে ৫২৫ পিস ইয়াবাসহ চট্টগ্রামের নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মুরাদনগরে সড়কের নিম্নমানের ইট অপসারণের নির্দেশ উপজেলা প্রকৌশলীর প্রস্তাবিত ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়াল রেলে বাঁশকাইটে স্টেশন স্থাপনের দাবিতে মুরাদনগরে মানববন্ধন মুরাদনগরে বিশেষ শিশুদের ‘প্রতিভা’ স্কুলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত, অনুদান ঘোষণা ধর্মমন্ত্রীর অতীতে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা হয়েছে, এখন জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা করতে চাইছে একটি দল: মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ মুরাদনগরে এইচএসসির ফলে বড় বিপর্যয়: পাসের হার প্রায় ৪০.১০%, শীর্ষে ‘ অধ্যাপক আবদুল মজিদ’ সর্বনিম্ন ‘বাইড়া’ মুরাদনগরে যুব দিবসে ১০ যুবক-যুবতী পেলেন সাড়ে ১০ লাখ টাকার ঋণ

সেতু আছে সড়ক নেই, বাঁশের সাঁকোতেই ভরসা

Reporter Name / ৭৯৩ Time View
Update : রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৩

মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের রোয়াচালা গ্রামে ব্রিজ স্থাপনের দুই বছর পার হলেও সড়ক থেকে তা এখনো বিচ্ছিন্ন। ফলে বাধ্য হয়ে তিন গ্রামের মানুষ ব্রিজে উঠানামায় ব্যবহার করতে হচ্ছে বাঁশের সাঁকো।
জানা যায়, গত ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে এলজিএসপি-৩ এর আওতায় রোয়াচালা আহাদ মিয়ার বাড়ির সামনে কুড়াখাল রাস্তার উপর ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্ধে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। যা ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বাস্তবায়নের পর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শ্রীকাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল বাহার। তবে ওই বরাদ্ধে ব্রিজের দুই পাশের সড়ক সংযোগের জন্য মাটির খরচ ধরা থাকলেও সেখানে মাটি ফেলা হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
রোয়াচালা গ্রামের বাসিন্দা আবুল কাশেম জানান, শুধুমাত্র এই ব্রিজটির সংযোগ না থাকায় রোয়াচালা বাজারে আসতে ও কুড়াখাল বাজারে যেতে প্রায় তিন কিলোমিটার হাটতে হয় আমাদের। পাশাপাশি কুড়াখাল ও কুরুন্ডি গ্রামে যে ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেখানে যেতে শিক্ষার্থীদের পোহাতে হয় চরম দুর্ভোগ।
শ্রীকাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল বাহার মুঠো ফোনে জানান, ব্রিজটির দুই পাশে খুব গভীর হওয়ায় বরাদ্দের সময় সংযোগের জন্য যে টাকা ধরা হয়েছিল তা দিয়ে সম্ভব হয়নি। বর্তমানে বর্ষার পানির জন্য দূর থেকে মাটি আনা যাচ্ছে না। আগামী কিছুদিনের মধ্যে পানি কমলেই সেখানে মাটি ফেলে ব্রিজের সাথে সংযোগ করে দেয়া হবে।
এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আলাউদ্দিন ভূঞা জনী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খুব দ্রæতই সেখানকার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে সড়কের সাথে ব্রিজটির সংযোগের ব্যবস্থা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category