• শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন
Headline
কৃষক মাওলা হত্যাকারীদের পরিবারকে সামাজিক ভাবে বয়কটের ঘোষণা দিয়ে এলাকাবাসীর গণস্বাক্ষর মুরাদনগরে সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম, কাজ বন্ধ করলেন প্রকৌশলী বাঙ্গরায় পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ইয়াবাসহ ধরা পড়ল ৬ মাদক কারবারি মুরাদনগরে মাদকবিরোধী অ্যাকশন: ওসির দৌড়ের কাছে হার মানল মাদক ব্যবসায়ী তিতাসে র‍্যাবের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান: প্রাইভেটকারসহ ৬ বস্তা গাঁজা জব্দ, গ্রেফতার ২ মুরাদনগরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ, সপ্তাহ পার হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে প্রধান আসামি মুরাদনগরে পুলিশের বিশেষ অভিযান: নারীসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, উদ্ধার গাঁজা ও নগদ টাকা মুরাদনগরে হাম-রুবেলা টিকাদান সফলতায় উদ্ভুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত মুরাদনগরে কৃষি জমি থেকে মাটি কাটায় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা গোমতীর তীরে অবৈধ মাটি কাটলে রক্ষা নেই! মুরাদনগরে অভিযানে পালালো ভেকু মালিকরা ৪টি ব্যাটারি জব্দ

সেক্রেটারি, সালাম না দেওয়ায় ইমামকে চাকরিচ্যুত প্রতিবাদে মানববন্ধন 

Reporter Name / ১৭৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫

সিরাজুল ইসলাম রনি, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি।।

রাজশাহীতে মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সেক্রেটারিকে সালাম না দেওয়ার অভিযোগ তুলে ইমামকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে কমিটির সভাপতি, সেক্রেটারি এবং কোষাধ্যক্ষ ওই মসজিদে নামাজ পড়তেই যান না বলেও মুসল্লিদের অভিযোগ। এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে ইমামের পক্ষে রাজপথে বিক্ষোভ মানববন্ধন করেছেন এলাকার মুসল্লিরা।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় নগরীর রেলগেট এলাকায় গোরহাঙ্গা জামে মসজিদের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে মসজিদের মুসল্লি আবদুল ওয়াহিদ বলেন, আল্লাহর ঘর মসজিদ নিয়ে আধিপত্য বিস্তার করছে, প্রতিবদ্ধকতা সৃষ্টি করেছে। আমি মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি। ৫ আগস্টের পর মসজিদে আমরা একটি আহবায়ক কমিটি করি। আমরা চেয়েছিলাম কমিটিতে নামাজিরা আসুক। ৩ মাস পর আহবায়ক কমিটির মেয়াদ শেষ হয়। তবে এরপর দখলবাজরা আসে, যারা নামাজ পড়ে না তাদের নিয়ে কমিটি করে ও আধিপত্য তৈরি করে।
তিনি আরও বলেন, হঠাৎ গত শুক্রবারে দেখি আরেকজন খতিব এনে বলে, আমাদের ইমামকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অথচ ইমামের কোনো দোষই নাই। তিনি সবদিক থেকেই ভাল। অনেক ভাল খুতবা দেন। কিন্তু তার অপমান আমরা মেনে নেব না। আল্লাহর ঘর রক্ষার জন্য যা করা লাগে আমরা করবো।
মসজিদের স্থানীয় মুসল্লিরা বলেন, সভাপতি, সেক্রেটারি ও ক্যাশিয়ার শুধু শুক্রবার জুমার নামাজের পর আসে আর টাকা গুণে নিয়ে চলে যায়। হঠাৎ খতিব চেঞ্জ দেখতে পাই গত শুক্রবারে। মুসল্লিরা কারণ জানতে চাইলে গালাগালি করা হয় ও ধস্তাধস্তি হয়। ১৬ লক্ষ টাকা আমরা রেখেছিলাম, হিসাবও পাইনি। আয়-ব্যয়ের কিছু হিসাব দেখি না। কমিটির কয়েকজন আসে শুক্রবারে, তাও জুমার নামাজ অন্য জায়গায় পড়ে এসে টাকা নিয়ে চলে যায়। এছাড়াও ইমামের ঈমান আকিদা সব ভাল, তার কোনো দোষ নাই। শুধু শুনেছি, তিনি নাকি কমিটির কাকে সালাম দেন না, এজন্য তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যা অন্যায়! কমিটির কয়েকজন তো ৫ ওয়াক্ত নামাজেই আসেন না। এমনকি শুক্রবার জুমার নামাজ অন্য মসজিদে পড়ে এখানে আসেন। তারা বলছে, ইমাম নাকি তাদের সালাম দেন না। এটা মিথ্যা ও অন্যায় অভিযোগ। আমাদের উচিত ইমামকে সালাম ও সম্মান দেওয়া। ইমাম আমাদের সালাম দিতে বাধ্য নন।
কমিটির সভাপতি দাবি করে ডা. এনামুল হক নামে এক মুসল্লি মানববন্ধনে বলেন, ওরা টাকা চুরি করত, ইমামকে টাকা দিত না। ঈদের নামাজ বিভিন্ন সময়ে ইমামকে টাকা দেওয়া হয় না। রমজানে সারা মাস নামাজ পড়িয়েছে ইমাম, কিন্তু টাকা দেয়নি। আমাদের হুমকি দেয় হিসাব চাইলে। ২৫-৩০ জন লোক এনে উল্টাপাল্টা বকে। এখনো আমি সভাপতি আছি। বিগত কমিটি ভেঙে দেওয়া হলো। নতুন কমিটি ৩ মাসের ভেতর নতুন দেওয়া হবে। আমরা ইমামের কোনো দোষ পাইনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category